Mishary Rashid Alafasy
✓
Mahmoud Khalil Al-Husary
✓
Abdurrahman As-Sudais
✓
Mohamed Siddiq Al-Minshawi
✓
Abdul Basit Abdul Samad
✓
Ali Al-Hudhaify
✓
Ahmed ibn Ali al-Ajamy
✓
Abu Bakr Ash-Shaatree
✓
Muhammad Ayyoub
✓
Abdullah Basfar
✓
Abdullah Al-Juhani
✓
Maher Al Muaiqly
✓
অনুবাদ — Tafsir
أَوَلَمْ يَتَفَكَّرُوا فِي أَنفُسِهِمْ ۗ مَّا خَلَقَ اللَّهُ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضَ وَمَا بَيْنَهُمَا إِلَّا بِالْحَقِّ وَأَجَلٍ مُّسَمًّى ۗ وَإِنَّ كَثِيرًا مِّنَ النَّاسِ بِلِقَاءِ رَبِّهِمْ لَكَافِرُونَ
কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ শব্দের অর্থ:
- يَتَفَكَّرُوا – চিন্তা-গভীরতা অবলম্বন করা, অন্তর্দৃষ্টি দিয়ে উপলব্ধি করা।
- بِالْحَقِّ – ন্যায় ও সত্যের সাথে, উদ্দেশ্যহীনভাবে নয়।
- أَجَلٍ مُّسَمًّى – নির্ধারিত সময়সীমা, যা আল্লাহ নির্দিষ্ট করেছেন।
- لَكَافِرُونَ – অস্বীকারকারী, প্রত্যাখ্যানকারী।
তাফসীর:
এই আয়াতে আল্লাহ তাআলা মানুষকে তাদের নিজের সত্তা ও চারপাশের সৃষ্টিজগতের দিকে গভীরভাবে চিন্তা করার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলছেন: ওরা কি নিজেদের ভেতরে চিন্তা করে দেখেনি? কীভাবে তাদের সৃষ্টি হয়েছে, কীভাবে এই বিশাল মহাবিশ্ব টিকে আছে? আল্লাহ আসমানসমূহ, যমীন এবং এ দুয়ের মাঝে যা কিছু আছে—এ সব কিছু সৃষ্টি করেছেন কোনো খেল-তামাশার জন্য নয়, বরং সত্য ও ন্যায়ের ভিত্তিতে। প্রতিটি সৃষ্টির একটি নির্দিষ্ট সময়সীমা রয়েছে, যা একদিন শেষ হয়ে যাবে। এই পৃথিবীর জীবন চিরস্থায়ী নয়; এর পরেই রয়েছে মৃত্যু, পুনরুত্থান এবং আল্লাহর সামনে হিসাব-নিকাশ।
কিন্তু পরিতাপের বিষয় হলো, অনেক মানুষ তাদের রবের সাথে সাক্ষাৎকে অস্বীকার করে। তারা মনে করে জীবন শুধু এই দুনিয়াতেই সীমাবদ্ধ, এর পরে আর কিছুই নেই। এই ভুল ধারণার কারণে তারা নিজেদের জীবনকে উদ্দেশ্যহীনভাবে কাটিয়ে দেয়, সৎকর্ম থেকে দূরে থাকে এবং আল্লাহর নির্দেশনা অনুযায়ী জীবন পরিচালনা করে না।
প্রিয় পাঠক! একবার ভেবে দেখুন—এই সুবিশাল মহাবিশ্ব, এর নিখুঁত ব্যবস্থাপনা, দিন-রাতের আবর্তন, আকাশের তারা-গ্রহ, পৃথিবীর জীববৈচিত্র্য—এসব কি কোনো উদ্দেশ্য ছাড়া হতে পারে? অবশ্যই নয়। প্রতিটি জিনিসের পেছনে রয়েছে মহান স্রষ্টার অসীম জ্ঞান ও প্রজ্ঞা। আর এই সৃষ্টিজগতের সবচেয়ে সম্মানিত সৃষ্টি হলো মানুষ। তাকে কি শুধু খাওয়া-দাওয়া, ঘুমানো আর মৃত্যুর জন্যই সৃষ্টি করা হয়েছে? না, তার সৃষ্টির পেছনে রয়েছে মহান উদ্দেশ্য—আল্লাহকে চেনা, তাঁর ইবাদত করা এবং তাঁর নির্ধারিত পথে চলা।
আল্লাহ তাআলা আমাদের প্রতি অশেষ রহমত করেছেন যে, তিনি আমাদেরকে চিন্তা করার ক্ষমতা দিয়েছেন। এই ক্ষমতা ব্যবহার করে আমরা যদি একবার নিজেদের সৃষ্টি ও এই মহাবিশ্বের দিকে গভীরভাবে তাকাই, তাহলে আমরা অবশ্যই আমাদের স্রষ্টাকে চিনতে পারব। আর যারা আল্লাহকে চিনবে, তারা কখনো তাঁর সাথে সাক্ষাৎকে অস্বীকার করবে না। বরং তারা এমন জীবনযাপন করবে যা আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনে সহায়ক হবে।
আসুন, আমরা সবাই এই আয়াতের শিক্ষা গ্রহণ করি—নিজেদের ভেতরে ও বাইরে চিন্তা করি, আল্লাহর সৃষ্টির নিদর্শনগুলো নিয়ে ভাবি, এবং আমাদের জীবনের প্রতিটি মুহূর্তকে সেই সত্যের আলোকে সাজাই, যার জন্য আমাদের সৃষ্টি করা হয়েছে। আল্লাহ আমাদের সবাইকে সঠিক পথে চলার তাওফিক দান করুন।
📜 আয়াত 6-10 — সূরা আর-রুম
অনুবাদ — আর-রুম 8
সূরা আর-রুম আয়াত 8 - পড়ুন, শুনুন, অনুবাদ, বাংলা : তারা কি তাদের মনে ভেবে দেখে না যে, আল্লাহ নভোমন্ডল,…সূরা আয়াত 8/60 — সূরা আর-রুম الروم (মাক্কী). পড়ুন শুনুন অনুবাদ (বাংলা). শুনুন: সূরা আর-রুম শুনুন, সূরা আর-রুম অনুবাদ, সূরা আর-রুম mp3, সূরা আর-রুম pdf. আয়াত 6–10. বাংলা অর্থ: हिन्दी.
পবিত্র কুরআন
Monday, September 28, 2026
আপনার নেক দোয়ায় আমাদের ভুলে যাবেন না


