Allazeena yabkhaloona wa yaamuroonan naasa bilbukhli wa yaktumoona maaa aataahu mullaahu min fadlih; wa a`tadnaa lilkaafireena `azaabam muheenaa
📖 অনুবাদ (বাংলা অর্থ)
📖 বাংলা অর্থ
যারা নিজেরাও কার্পন্য করে এবং অন্যকেও কৃপণতা শিক্ষা দেয় আর গোপন করে সে সব বিষয় যা আল্লাহ তা’আলা তাদেরকে দান করেছেন স্বীয় অনুগ্রহে-বস্তুতঃ তৈরী করে রেখেছি কাফেরদের জন্য অপমান জনক আযাব।
🌐 Additional reference in हिन्दी
🌐 हिन्दी
ये वह लोग हैं जो ख़ुद तो बुख्ल करते ही हैं और लोगों को भी बुख्ल का हुक्म देते हैं और जो माल ख़ुदा ने अपने फ़ज़ल व (करम) से उन्हें दिया है उसे छिपाते हैं और हमने तो कुफ़राने नेअमत करने वालों के वास्ते सख्त ज़िल्लत का अज़ाब तैयार कर रखा है
যারা নিজেরাও কার্পন্য করে এবং অন্যকেও কৃপণতা শিক্ষা দেয় আর গোপন করে সে সব বিষয় যা আল্লাহ তা’আলা তাদেরকে দান করেছেন স্বীয় অনুগ্রহে-বস্তুতঃ তৈরী করে রেখেছি কাফেরদের জন্য অপমান জনক আযাব।
এই আয়াতে আল্লাহ তাআলা সেই সমস্ত লোকের নিন্দা করেছেন যারা নিজেরা কৃপণতা করে এবং অন্যদেরকেও কৃপণতা করার আদেশ দেয়। তারা আল্লাহর দেওয়া সম্পদ, জ্ঞান, বা অন্য যেকোনো অনুগ্রহ নিজেরা ভোগ করে না এবং অন্যকেও দিতে বাধা দেয়। তারা আল্লাহর অনুগ্রহকে অস্বীকার করে এবং মানুষের কাছে তা গোপন রাখে। যেমন—তারা সত্যকে লুকিয়ে রাখে, নবী (সা.)-এর সত্যতা গোপন করে, অথবা যে জ্ঞান আল্লাহ তাদের দিয়েছেন তা মানুষের কাছে প্রকাশ করে না।
এই আয়াত প্রসঙ্গে বলা হয়েছে যে, এটি ইহুদিদের সম্পর্কে অবতীর্ণ হয়েছিল, যারা নিজেরা কৃপণতা করত এবং সাহাবাদেরও কৃপণতা করতে নির্দেশ দিত। তারা আল্লাহর দেওয়া অনুগ্রহ, যেমন—নবী (সা.)-এর আগমনের সুসংবাদ বা অন্যান্য জ্ঞান, মানুষের কাছে গোপন রাখত। আল্লাহ তাআলা বলেন, এই ধরনের কৃপণতা ও গোপন করার কাজ কুফরি (অস্বীকারের) লক্ষণ। আর যারা এমন করে, তাদের জন্য আল্লাহ অপমানজনক শাস্তি প্রস্তুত করে রেখেছেন, যেখানে তারা লাঞ্ছিত হবে।
শিক্ষা ও উপদেশ:
কৃপণতা একটি ঘৃণিত গুণ, যা মুমিনের বৈশিষ্ট্য নয়। মুমিনের উচিত আল্লাহর দেওয়া সম্পদ থেকে ব্যয় করা এবং অন্যদের সাহায্য করা।
অন্যকে কৃপণতার আদেশ দেওয়া আরও মারাত্মক অপরাধ। কারণ এতে নিজের পাপের সাথে অন্যকে পাপে প্ররোচিত করার পাপও যুক্ত হয়।
আল্লাহর অনুগ্রহ ও জ্ঞান গোপন করা, বিশেষ করে সত্য ও দ্বীনের জ্ঞান লুকিয়ে রাখা, কঠিন অপরাধ। প্রতিটি মুমিনের উচিত সত্য প্রচার করা এবং মানুষের উপকারে আসা।
কৃপণতা ও সত্য গোপন করার পরিণাম অপমানজনক শাস্তি। তাই আমাদের উচিত এই গুণ থেকে দূরে থাকা এবং দানশীলতা, উদারতা ও সত্য প্রকাশের মাধ্যমেই আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করা।
এই আয়াত আমাদের শেখায় যে, ইসলাম উদারতা, সহানুভূতি ও পরোপকারের ধর্ম। মুমিন কখনো নিজের সম্পদ বা জ্ঞানকে আঁকড়ে ধরে রাখে না, বরং আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য তা ব্যয় করে এবং মানুষের কল্যাণে ব্যবহার করে।
যদি তাদের মধ্যে সম্পর্কচ্ছেদ হওয়ার মত পরিস্থিতিরই আশঙ্কা কর, তবে স্বামীর পরিবার থেকে একজন এবং স্ত্রীর পরিবার থেকে একজন সালিস নিযুক্ত করবে। তারা উভয়ের মীমাংসা চাইলে আল্লাহ সর্বজ্ঞ, সবকিছু অবহিত।
আর উপাসনা কর আল্লাহর, শরীক করো না তাঁর সাথে অপর কাউকে। পিতা-মাতার সাথে সৎ ও সদয় ব্যবহার কর এবং নিকটাত্নীয়, এতীম-মিসকীন, প্রতিবেশী, অসহায় মুসাফির এবং নিজের দাস-দাসীর প্রতিও। নিশ্চয়ই আল্লাহ পছন্দ করেন না দাম্ভিক-গর্বিতজনকে।
যারা নিজেরাও কার্পন্য করে এবং অন্যকেও কৃপণতা শিক্ষা দেয় আর গোপন করে সে সব বিষয় যা আল্লাহ তা’আলা তাদেরকে দান করেছেন স্বীয় অনুগ্রহে-বস্তুতঃ তৈরী করে রেখেছি কাফেরদের জন্য অপমান জনক আযাব।
আর সে সমস্ত লোক যারা ব্যয় করে স্বীয় ধন-সম্পদ লোক-দেখানোর উদ্দেশে এবং যারা আল্লাহর উপর ঈমান আনে না, ঈমান আনে না কেয়ামত দিবসের প্রতি এবং শয়তান যার সাথী হয় সে হল নিকৃষ্টতর সাথী।
আর কিই বা ক্ষতি হত তাদের যদি তারা ঈমান আনত আল্লাহর উপর কেয়ামত দিবসের উপর এবং যদি ব্যয় করত আল্লাহ প্রদত্ত রিযিক থেকে! অথচ আল্লাহ, তাদের ব্যাপারে যথার্থভাবেই অবগত।
সূরাকুরআন ওয়েবসাইট প্রতিষ্ঠিত হয়েছে পবিত্র কিতাব ও পবিত্র সুন্নাহর সেবা, আল্লাহর দিকে দাওয়াত এবং কুরআন-সুন্নাহর মানহাজে দ্বীনি ইলম সহজলভ্য করার একটি বিনম্র প্রচেষ্টা হিসেবে। আমরা আল্লাহর প্রশংসা করি ও তাঁর অনুগ্রহের জন্য কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করি, এবং তাঁর কাছে প্রার্থনা করি যেন তিনি আমাদের কাজ কবুল করেন এবং তা একমাত্র তাঁর সন্তুষ্টির জন্য নিষ্ঠাপূর্ণ করেন।