Mishary Rashid Alafasy
✓
Mahmoud Khalil Al-Husary
✓
Abdurrahman As-Sudais
✓
Mohamed Siddiq Al-Minshawi
✓
Abdul Basit Abdul Samad
✓
Ali Al-Hudhaify
✓
Ahmed ibn Ali al-Ajamy
✓
Abu Bakr Ash-Shaatree
✓
Muhammad Ayyoub
✓
Abdullah Basfar
✓
Abdullah Al-Juhani
✓
Maher Al Muaiqly
✓
অনুবাদ — Tafsir
শব্দার্থ:
- عُتُلٍّ (উতুল্লিন): রূঢ়, কর্কশ, দুর্বৃত্ত, নিষ্ঠুর ও অভদ্র স্বভাবের ব্যক্তি।
- زَنِيمٍ (যানিম): যে ব্যক্তি অন্য গোত্রের সাথে নিজেকে যুক্ত করে নেয়, দত্তক বা প্রতিপালিত সন্তান হিসেবে পরিচিত, অথবা যে ব্যক্তি দুষ্টতা ও নীচতা দ্বারা পরিচিত।
তাফসীর (ব্যাখ্যা):
এই আয়াতে আল্লাহ তাআলা তাঁর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে নির্দেশ দিচ্ছেন যে, তিনি যেন এমন ব্যক্তির কথা না মানেন, যার মধ্যে পূর্ববর্তী আয়াতসমূহে বর্ণিত মন্দ গুণাবলী রয়েছে। এরপর এই আয়াতে আরও দুটি নিন্দনীয় গুণের কথা উল্লেখ করা হয়েছে:
প্রথমত, عُتُلٍّ অর্থাৎ সে ব্যক্তি রূঢ়, কর্কশ ও নিষ্ঠুর স্বভাবের। তার হৃদয় কঠিন, আচরণ অভদ্র, এবং মানুষের সাথে মেলামেশায় সে জঘন্য ও বাজে ব্যবহার করে। সে কোনো নম্রতা, কোমলতা বা সহানুভূতি জানে না।
দ্বিতীয়ত, زَنِيمٍ অর্থাৎ সে এমন ব্যক্তি যে অন্য জাতির সাথে নিজেকে জড়িয়ে নিয়েছে, অথচ তাদের মধ্যে তার কোনো প্রকৃত বংশীয় সম্পর্ক নেই। সে একটি পরকীয়া ও লজ্জাজনক পরিচয়ে পরিচিত। আরবের প্রচলিত রীতি অনুযায়ী, যে ব্যক্তি কারো সন্তান হিসেবে পরিচিত না হয়ে অন্য গোত্রে আশ্রয় নিত, তাকে 'যানিম' বলা হতো এবং এটি ছিল অত্যন্ত নিন্দনীয় বিষয়। এই গুণটি দ্বারা বোঝানো হয়েছে যে, সে ব্যক্তি চরিত্রগতভাবেও কলুষিত ও নীচ।
এই আয়াতটি যদিও বিশেষভাবে কুরাইশের একজন কাফির নেতা ওয়ালিদ ইবনে মুগীরাহ সম্পর্কে অবতীর্ণ হয়েছে, কিন্তু এর নির্দেশনা সর্বজনীন। প্রত্যেক মুসলিমের জন্য এতে শিক্ষা রয়েছে যে, যার মধ্যে এই ধরনের নিন্দনীয় গুণাবলী থাকবে, তার কথা মানা ও তার অনুসরণ করা থেকে বিরত থাকতে হবে।
উপকার ও শিক্ষা:
- একজন মুমিনের কর্তব্য হলো চরিত্রবান, সৎ ও নম্র ব্যক্তিদের কথা শোনা এবং তাদের পরামর্শ গ্রহণ করা, আর যারা রূঢ়, দুর্বৃত্ত ও নীচ স্বভাবের, তাদের থেকে সতর্ক থাকা।
- ইসলাম মানুষের চরিত্র ও নৈতিকতাকে অত্যন্ত গুরুত্ব দেয়। যে ব্যক্তি কর্কশ স্বভাবের, মানুষের সাথে খারাপ ব্যবহার করে এবং নিজেকে অন্য গোত্র বা সম্প্রদায়ের সাথে জালিয়াতিপূর্ণভাবে যুক্ত করে, সে ইসলামী সমাজে সম্মানিত নয়।
- এই আয়াত প্রমাণ করে যে, সম্পদ ও সন্তান-সন্ততি থাকলেই মানুষ সম্মানিত হয় না; বরং প্রকৃত সম্মান ও মর্যাদা নির্ভর করে ঈমান, সচ্চরিত্র ও আল্লাহভীতির উপর।
- মুসলিম উম্মাহর জন্য এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা রয়েছে যে, সমাজে যারা ফিতনা সৃষ্টি করে, মানুষের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করে এবং মন্দ চরিত্রের অধিকারী, তাদের কথা শোনা ও তাদের অনুসরণ করা থেকে বিরত থাকা প্রত্যেক মুমিনের দায়িত্ব।
📜 আয়াত 11-15 — সূরা আল-কালাম
অনুবাদ — আল-কালাম 13
সূরা আল-কালাম আয়াত 13 - পড়ুন, শুনুন, অনুবাদ, বাংলা : কঠোর স্বভাব, তদুপরি কুখ্যাত;সূরা আয়াত 13/52 — সূরা আল-কালাম القلم (মাক্কী). পড়ুন শুনুন অনুবাদ (বাংলা). শুনুন: সূরা আল-কালাম শুনুন, সূরা আল-কালাম অনুবাদ, সূরা আল-কালাম mp3, সূরা আল-কালাম pdf. আয়াত 11–15. বাংলা অর্থ: हिन्दी.
সূরা আল-কালাম
পবিত্র কুরআন
Monday, September 28, 2026
আপনার নেক দোয়ায় আমাদের ভুলে যাবেন না


