Mishary Rashid Alafasy
✓
Mahmoud Khalil Al-Husary
✓
Abdurrahman As-Sudais
✓
Mohamed Siddiq Al-Minshawi
✓
Abdul Basit Abdul Samad
✓
Ali Al-Hudhaify
✓
Ahmed ibn Ali al-Ajamy
✓
Abu Bakr Ash-Shaatree
✓
Muhammad Ayyoub
✓
Abdullah Basfar
✓
Abdullah Al-Juhani
✓
Maher Al Muaiqly
✓
অনুবাদ — Tafsir
কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ শব্দের অর্থ:
- আমরুনা – আমাদের আদেশ (এখানে শাস্তি বা ধ্বংসের আদেশ)।
- নাজ্জাইনা – আমরা রক্ষা করলাম, মুক্তি দিলাম।
- খিঝই – লাঞ্ছনা, অপমান, হীনতা।
- ইয়াওমিঈযিন – সেদিন (যেদিন শাস্তি নেমে আসে)।
- ক্বাবিয়্যু – পরাক্রমশালী, যিনি সবকিছুর উপর ক্ষমতাবান।
- আযীয – প্রবল পরাক্রান্ত, অপরাজেয়।
আয়াতের বিস্তারিত তাফসির:
যখন ছামুদ জাতির উপর আমাদের ধ্বংসের আদেশ এসে পৌঁছল, তখন আমরা আমাদের বিশেষ রহমত ও দয়ায় নবী সালেহ (আঃ)-কে এবং তার সাথে যারা ঈমান এনেছিল তাদেরকে রক্ষা করলাম। শুধু ধ্বংস থেকে নয়, বরং সেদিনের লাঞ্ছনা ও অপমান থেকেও তাদেরকে মুক্তি দিলাম। কারণ, যারা সেদিন শাস্তির সম্মুখীন হয়েছিল, তারা চরম হীনতা ও অপমানের শিকার হয়েছিল। কিন্তু মুমিনরা ছিল সম্পূর্ণ নিরাপদ ও সম্মানিত।
এরপর আল্লাহ তায়ালা তাঁর রাসূল (সাঃ)-কে সান্ত্বনা দিয়ে বলছেন – হে নবী! আপনার রবই সেই সত্তা, যিনি পরাক্রমশালী ও অপরাজেয়। তাঁর শক্তি ও ক্ষমতার কারণেই তিনি অত্যাচারী ও সত্যবিরোধী জাতিগুলোকে ধ্বংস করেছেন এবং তাঁর নবী ও তাদের অনুসারীদের রক্ষা করেছেন। তাঁর ক্ষমতার সামনে কোনো শক্তিই টিকতে পারে না।
আয়াত থেকে প্রাপ্ত শিক্ষণীয় বিষয়সমূহ:
- আল্লাহর রহমতই মুক্তির একমাত্র পথ: শাস্তি থেকে রক্ষা পাওয়া সম্পূর্ণভাবে আল্লাহর রহমতের উপর নির্ভরশীল। সালেহ (আঃ)-এর জাতি ধ্বংস হয়েছিল, কিন্তু মুমিনরা রক্ষা পেয়েছিল শুধুমাত্র আল্লাহর দয়ার কারণে। তাই আমাদের উচিত সর্বদা আল্লাহর রহমত কামনা করা।
- ঈমানের মর্যাদা: ঈমান আনা মানুষকে শুধু আখিরাতের শাস্তি থেকে নয়, দুনিয়ার লাঞ্ছনা ও অপমান থেকেও রক্ষা করে। মুমিনরা যেকোনো পরিস্থিতিতে আল্লাহর হিফাজতে থাকে।
- আল্লাহর শক্তি ও কর্তৃত্ব: এই আয়াত আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয় যে, আল্লাহই একমাত্র পরাক্রমশালী। তিনি যখন চান, অত্যাচারী শক্তিকে ধ্বংস করেন এবং দুর্বল মুমিনদের বিজয়ী করেন। তাই কোনো জাগতিক শক্তিকে ভয় করা উচিত নয়, বরং আল্লাহর উপর ভরসা রাখা উচিত।
- ধৈর্য ও প্রত্যয়: নবী সালেহ (আঃ)-এর দীর্ঘ সংগ্রামের পর আল্লাহ তাঁর ওপর বিজয় এনে দেন। এটি শিক্ষা দেয় যে, সত্যের পথে ধৈর্য ধরলে এবং আল্লাহর উপর আস্থা রাখলে শেষ পর্যন্ত সাফল্য অবশ্যম্ভাবী।
- নবী (সাঃ)-এর প্রতি সান্ত্বনা: এই আয়াত রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-কে এবং যেকোনো যুগের সত্যের পথিককে সান্ত্বনা দেয় যে, আল্লাহ তাদের পক্ষে আছেন এবং শত্রুদের ষড়যন্ত্র সত্ত্বেও সত্য প্রতিষ্ঠিত হবেই।
📜 আয়াত 64-68 — সূরা হুদ
অনুবাদ — হুদ 66
সূরা হুদ আয়াত 66 - পড়ুন, শুনুন, অনুবাদ, বাংলা : অতঃপর আমার আযাব যখন উপস্থিত হল, তখন আমি সালেহকে ও…সূরা আয়াত 66/123 — সূরা হুদ هود (মাক্কী). পড়ুন শুনুন অনুবাদ (বাংলা). শুনুন: সূরা হুদ শুনুন, সূরা হুদ অনুবাদ, সূরা হুদ mp3, সূরা হুদ pdf. আয়াত 64–68. বাংলা অর্থ: हिन्दी.
পবিত্র কুরআন
Tuesday, September 29, 2026
আপনার নেক দোয়ায় আমাদের ভুলে যাবেন না


