মারইয়াম · 63/98
অনুবাদ উচ্চারণ — সূরা মারইয়াম
تِلْكَ الْجَنَّةُ الَّتِي نُورِثُ مِنْ عِبَادِنَا مَن كَانَ تَقِيًّا ۝٦٣
Tilkal jannatul latee oorisu min `ibaadinaa man kaana taqiyyaa
📖 বাংলা অর্থ
এটা ঐ জান্নাত যার অধিকারী করব আমার বান্দাদের মধ্যে পরহেযগারদেরকে।

M Mishary Rashid Alafasy ✓
M Mahmoud Khalil Al-Husary ✓
A Abdurrahman As-Sudais ✓
M Mohamed Siddiq Al-Minshawi ✓
A Abdul Basit Abdul Samad ✓
A Ali Al-Hudhaify ✓
A Ahmed ibn Ali al-Ajamy ✓
A Abu Bakr Ash-Shaatree ✓
M Muhammad Ayyoub ✓
A Abdullah Basfar ✓
A Abdullah Al-Juhani ✓
M Maher Al Muaiqly ✓
0:00
0:00
📜

অনুবাদ — Tafsir

শব্দার্থ:

  • نُورِثُ – আমরা উত্তরাধিকারসূত্রে দান করি, প্রদান করি।
  • تَقِيًّا – যে ব্যক্তি আল্লাহকে ভয় করে এবং তাঁর আদেশ-নিষেধ মেনে চলে।

তفسير:

এই জান্নাত, যার মর্যাদা ও বৈশিষ্ট্য পূর্বের আয়াতসমূহে বর্ণনা করা হয়েছে, তা এমন এক নেয়ামত যা আল্লাহ তাআলা তাঁর বান্দাদের মধ্য থেকে কেবল তাদেরকেই দান করবেন যারা তাকওয়া অর্জন করেছে। অর্থাৎ, যারা আল্লাহর আদেশসমূহ মেনে চলেছে এবং তাঁর নিষেধসমূহ থেকে বিরত থেকেছে। এটি আল্লাহর পক্ষ থেকে একটি সম্মানজনক পুরস্কার, যা তিনি তাঁর অনুগত বান্দাদেরকে উত্তরাধিকারসূত্রে প্রদান করেন। এখানে "উত্তরাধিকার" শব্দটি ব্যবহারের মাধ্যমে বোঝানো হয়েছে যে, জান্নাত এমন একটি স্থায়ী সম্পদ যা মুমিনদের জন্য চিরকালের জন্য নির্ধারিত, যেমনটি উত্তরাধিকার সম্পদ চিরস্থায়ী হয়ে থাকে। তবে এই উত্তরাধিকার শুধুমাত্র তাদের জন্যই, যারা দুনিয়ার জীবনে তাকওয়া অবলম্বন করেছে—অর্থাৎ আল্লাহর ভয়ে পাপ কাজ পরিহার করেছে এবং তাঁর সন্তুষ্টির জন্য সৎকর্ম করেছে।

ফায়দা:

  1. জান্নাত লাভের মূল শর্ত হলো তাকওয়া—আল্লাহভীতি। যে ব্যক্তি দুনিয়ায় আল্লাহকে ভয় করে চলবে, সে আখিরাতে জান্নাতের উত্তরাধিকারী হবে।
  2. জান্নাত কোনো ব্যক্তির বংশ, ধন-সম্পদ বা সামাজিক মর্যাদার ভিত্তিতে দেওয়া হবে না; বরং এটি শুধুমাত্র আল্লাহর অনুগত বান্দাদের জন্য নির্ধারিত।
  3. এই আয়াত মুমিনদের জন্য অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক—যারা তাকওয়ার পথে চলার চেষ্টা করে, তাদের জন্য জান্নাতের সুসংবাদ রয়েছে। এটি তাদেরকে ধৈর্য ও ইস্তিকামাতের সাথে সৎকর্ম চালিয়ে যাওয়ার প্রেরণা দেয়।
  4. আল্লাহ তাঁর বান্দাদের প্রতি অত্যন্ত দয়ালু—তিনি তাদের আমলের বিনিময়ে এমন চিরস্থায়ী নেয়ামত দান করবেন যা কোনো চোখ দেখেনি, কোনো কান শোনেনি এবং কোনো মানুষের কল্পনাতেও আসেনি।


📜 আয়াত 61-65 — সূরা মারইয়াম

61جَنَّاتِ عَدْنٍ الَّتِي وَعَدَ الرَّحْمَٰنُ عِبَادَهُ بِالْغَيْبِ ۚ إِنَّهُ كَانَ وَعْدُهُ مَأْتِيًّا
তাদের স্থায়ী বসবাস হবে যার ওয়াদা দয়াময় আল্লাহ তাঁর বান্দাদেরকে অদৃশ্যভাবে দিয়েছেন। অবশ্যই তাঁর ওয়াদার তারা পৌঁছাবে।
62لَّا يَسْمَعُونَ فِيهَا لَغْوًا إِلَّا سَلَامًا ۖ وَلَهُمْ رِزْقُهُمْ فِيهَا بُكْرَةً وَعَشِيًّا
তারা সেখানে সালাম ব্যতীত কোন অসার কথাবার্তা শুনবে না এবং সেখানে সকাল-সন্ধ্যা তাদের জন্যে রুযী থাকবে।
63تِلْكَ الْجَنَّةُ الَّتِي نُورِثُ مِنْ عِبَادِنَا مَن كَانَ تَقِيًّا
এটা ঐ জান্নাত যার অধিকারী করব আমার বান্দাদের মধ্যে পরহেযগারদেরকে।
64وَمَا نَتَنَزَّلُ إِلَّا بِأَمْرِ رَبِّكَ ۖ لَهُ مَا بَيْنَ أَيْدِينَا وَمَا خَلْفَنَا وَمَا بَيْنَ ذَٰلِكَ ۚ وَمَا كَانَ رَبُّكَ نَسِيًّا
(জিব্রাইল বললঃ) আমি আপনার পালনকর্তার আদেশ ব্যতীত অবতরণ করি না, যা আমাদের সামনে আছে, যা আমাদের পশ্চাতে আছে এবং যা এ দুই-এর মধ্যস্থলে আছে, সবই তাঁর এবং আপনার পালনকর্তা বিস্মৃত হওয়ার নন।
65رَّبُّ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ وَمَا بَيْنَهُمَا فَاعْبُدْهُ وَاصْطَبِرْ لِعِبَادَتِهِ ۚ هَلْ تَعْلَمُ لَهُ سَمِيًّا
তিনি নভোমন্ডল, ভূমন্ডলে এতদুভয়ের মধ্যবর্তী সবার পালনকর্তা। সুতরাং তাঁরই বন্দেগী করুন এবং তাতে দৃঢ় থাকুন আপনি কি তাঁর সমনাম কাউকে জানেন?
মারইয়ামকুরআন সূচী
98আয়াত
মাক্কীঅবতরণস্থান
63আয়াত

অনুবাদ — মারইয়াম 63

সূরা মারইয়াম আয়াত 63 - পড়ুন, শুনুন, অনুবাদ, বাংলা : এটা ঐ জান্নাত যার অধিকারী করব আমার বান্দাদের মধ্যে পরহেযগারদেরকে।

সূরা আয়াত 63/98 — সূরা মারইয়াম مريم (মাক্কী). পড়ুন শুনুন অনুবাদ (বাংলা). শুনুন: সূরা মারইয়াম শুনুন, সূরা মারইয়াম অনুবাদ, সূরা মারইয়াম mp3, সূরা মারইয়াম pdf. আয়াত 61–65. বাংলা অর্থ: हिन्दी.





পবিত্র কুরআন


Tuesday, September 29, 2026

আপনার নেক দোয়ায় আমাদের ভুলে যাবেন না