Alam tara ilal lazeena ootoo naseebam minal Kitaabi yud`awna ilaa Kitaabil laahi liyahkuma bainahum summa yatawallaa fareequm minhum wa hum mu`ridoon
📖 অনুবাদ (বাংলা অর্থ)
📖 বাংলা অর্থ
আপনি কি তাদের দেখেননি, যারা কিতাবের কিছু অংশ পেয়েছে-আল্লাহর কিতাবের প্রতি তাদের আহবান করা হয়েছিল যাতে তাদের মধ্যে মীমাংসা করা যায়। অতঃপর তাদের মধ্যে একদল তা অমান্য করে মুখ ফিরিয়ে নেয়।
🌐 Additional reference in हिन्दी
🌐 हिन्दी
(ऐ रसूल) क्या तुमने (उलमाए यहूद) के हाल पर नज़र नहीं की जिनको किताब (तौरेत) का एक हिस्सा दिया गया था (अब) उनको किताबे ख़ुदा की तरफ़ बुलाया जाता है ताकि वही (किताब) उनके झगड़ें का फैसला कर दे इस पर भी उनमें का एक गिरोह मुंह फेर लेता है और यही लोग रूगरदानी (मुँह फेरने) करने वाले हैं
আপনি কি তাদের দেখেননি, যারা কিতাবের কিছু অংশ পেয়েছে-আল্লাহর কিতাবের প্রতি তাদের আহবান করা হয়েছিল যাতে তাদের মধ্যে মীমাংসা করা যায়। অতঃপর তাদের মধ্যে একদল তা অমান্য করে মুখ ফিরিয়ে নেয়।
📜
অনুবাদ — Tafsir
শব্দার্থ:
أُوتُوا نَصِيبًا مِّنَ الْكِتَابِ – যাদেরকে কিতাবের (তাওরাতের) একটি অংশ দেওয়া হয়েছে, অর্থাৎ ইহুদি পণ্ডিতরা।
يُدْعَوْنَ – তাদেরকে ডাকা হয়।
لِيَحْكُمَ بَيْنَهُمْ – যাতে তিনি (আল্লাহ বা তাঁর রাসূল) তাদের মধ্যে ফয়সালা করেন।
يَتَوَلَّى – মুখ ফিরিয়ে নেয়।
مُعْرِضُونَ – বিমুখ/উপেক্ষা করে।
তাফসীর:
হে নবী! আপনি কি বিস্ময়কর অবস্থা দেখছেন না সেই ইহুদিদের, যাদেরকে আল্লাহ তাওরাতের জ্ঞান দান করেছিলেন এবং তারা জানত যে, আপনি সত্য নবী? তাদেরকে যখন কিতাবুল্লাহর (কুরআন বা তাওরাতের সেই বিধানের) দিকে ডাকা হয়, যাতে তা তাদের মধ্যে বিরোধপূর্ণ বিষয়ে ফয়সালা করে, তখন তাদের একটি দল সত্যকে মেনে নেওয়ার পরিবর্তে মুখ ফিরিয়ে নেয় এবং তারা সম্পূর্ণরূপে বিমুখ থাকে। কারণ, আল্লাহর বিধান যখন তাদের মনঃপূত হয় না, তখন তারা তা প্রত্যাখ্যান করে। অথচ তারা দাবি করে যে, তারা তাওরাতের অনুসারী! যদি তারা সত্যিই তাওরাতের অনুসারী হতো, তবে তাদের উচিত ছিল আল্লাহর কিতাবের দিকে ফিরে যাওয়া এবং তা মেনে নেওয়া। কিন্তু তাদের হঠকারিতা ও অহংকারের কারণে তারা সত্যকে গ্রহণ করেনি এবং নিজেদের মনগড়া মতামতকেই প্রাধান্য দিয়েছে।
শিক্ষা ও উপদেশ:
জ্ঞান থাকা সত্ত্বেও যদি কেউ সত্যকে মেনে না নেয়, তবে সেই জ্ঞান তার জন্য হেদায়াতের পরিবর্তে দলিল হয়ে দাঁড়াবে। তাই জ্ঞান অর্জনের সাথে সাথে বিনয় ও সত্য গ্রহণের মানসিকতা থাকা জরুরি।
আল্লাহর কিতাবই চূড়ান্ত ফয়সালার উৎস। যেকোনো মতবিরোধে আমাদেরকে কুরআন ও সুন্নাহর দিকে ফিরে আসতে হবে, নিজের পছন্দ-অপছন্দকে প্রাধান্য দেওয়া যাবে না।
সত্যের প্রতি বিমুখতা ও অহংকার মানুষের অন্তরকে কঠিন করে দেয়। আল্লাহর বিধান যখন আমাদের মনঃপূত না হয়, তখন নিজের মত পরিবর্তন করা উচিত, আল্লাহর বিধানকে নয়।
এই আয়াত আমাদের শেখায় যে, সত্যের দাওয়াত যখন আসে, তখন সাথে সাথে তা গ্রহণ করা উচিত। বিলম্ব বা উপেক্ষা করা মুমিনের বৈশিষ্ট্য নয়।
ইসলামের প্রতি আহ্বানকারীদের জন্য এতে ধৈর্য ও দৃঢ়তার শিক্ষা রয়েছে—মানুষের প্রতিক্রিয়া যাই হোক, সত্য প্রচার চালিয়ে যেতে হবে।
যারা আল্লাহর নিদর্শনাবলীকে অস্বীকার করে এবং পয়গম্বরগণকে হত্যা করে অন্যায়ভাবে, আর সেসব লোককে হত্যা করে যারা ন্যায়পরায়ণতার নির্দেশ দেয় তাদেরকে বেদনাদায়ক শাস্তির সংবাদ দিন।
আপনি কি তাদের দেখেননি, যারা কিতাবের কিছু অংশ পেয়েছে-আল্লাহর কিতাবের প্রতি তাদের আহবান করা হয়েছিল যাতে তাদের মধ্যে মীমাংসা করা যায়। অতঃপর তাদের মধ্যে একদল তা অমান্য করে মুখ ফিরিয়ে নেয়।
তা এজন্য যে, তারা বলে থাকে যে, দোযখের আগুন আমাদের স্পর্শ করবে না; তবে সামান্য হাতে গোনা কয়েকদিনের জন্য স্পর্শ করতে পারে। নিজেদের উদ্ভাবিত ভিত্তিহীন কথায় তারা ধোকা খেয়েছে।
কিন্তু তখন কি অবস্থা দাঁড়াবে যখন আমি তাদেরকে একদিন সমবেত করবো যে দিনের আগমনে কোন সন্দেহ নেই আর নিজেদের কৃতকর্ম তাদের প্রত্যেকেই পাবে তাদের প্রাপ্য প্রদান মোটেই অন্যায় করা হবে না।
সূরাকুরআন ওয়েবসাইট প্রতিষ্ঠিত হয়েছে পবিত্র কিতাব ও পবিত্র সুন্নাহর সেবা, আল্লাহর দিকে দাওয়াত এবং কুরআন-সুন্নাহর মানহাজে দ্বীনি ইলম সহজলভ্য করার একটি বিনম্র প্রচেষ্টা হিসেবে। আমরা আল্লাহর প্রশংসা করি ও তাঁর অনুগ্রহের জন্য কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করি, এবং তাঁর কাছে প্রার্থনা করি যেন তিনি আমাদের কাজ কবুল করেন এবং তা একমাত্র তাঁর সন্তুষ্টির জন্য নিষ্ঠাপূর্ণ করেন।