Mishary Rashid Alafasy
✓
Mahmoud Khalil Al-Husary
✓
Abdurrahman As-Sudais
✓
Mohamed Siddiq Al-Minshawi
✓
Abdul Basit Abdul Samad
✓
Ali Al-Hudhaify
✓
Ahmed ibn Ali al-Ajamy
✓
Abu Bakr Ash-Shaatree
✓
Muhammad Ayyoub
✓
Abdullah Basfar
✓
Abdullah Al-Juhani
✓
Maher Al Muaiqly
✓
অনুবাদ — Tafsir
শব্দার্থ:
- أَنظِرْنِي – আমাকে অবকাশ দিন, আমাকে মুলতবি রাখুন, অর্থাৎ আমাকে মৃত্যু দেবেন না।
- يَوْمِ يُبْعَثُونَ – যে দিন তারা (মানবজাতি) পুনরুত্থিত হবে, অর্থাৎ কিয়ামতের দিন।
তাফসীর:
আল্লাহ তা‘আলা যখন আদম (আঃ)-কে সিজদা করার নির্দেশ দেন এবং ইবলিশ তা অমান্য করে চিরতরে আল্লাহর রহমত থেকে বিতাড়িত হয়, তখন সে হতাশ হয়ে আল্লাহর কাছে একটি প্রার্থনা জানায়। সে বলে: “হে আমার রব! আমাকে সেই দিন পর্যন্ত অবকাশ দিন, যেদিন মানুষকে পুনরুত্থিত করা হবে।” অর্থাৎ সে মৃত্যু থেকে রক্ষা পেতে চায় এবং কিয়ামত পর্যন্ত বেঁচে থাকতে চায়, যাতে সে যতদিন সম্ভব আদম সন্তানদেরকে পথভ্রষ্ট করতে পারে এবং তাদেরকে আল্লাহর পথ থেকে বিচ্যুত করতে পারে।
ইবলিশের এই আবেদনের পেছনে তার শত্রুতা ও হিংসা ছিল। সে জানত, আদম (আঃ)-এর কারণেই সে আল্লাহর রহমত থেকে বিতাড়িত হয়েছে। তাই সে প্রতিশোধ নিতে চায় তার সন্তানদের মাধ্যমে। সে চেয়েছিল দীর্ঘ জীবন পেয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করার সুযোগ লাভ করতে। তবে আল্লাহ তা‘আলা তাকে অনন্তকালের জন্য অবকাশ দেননি; বরং তাকে শুধুমাত্র নির্ধারিত সময় পর্যন্ত (প্রথম শিঙায় ফুঁক দেওয়ার পূর্ব পর্যন্ত) অবকাশ দিয়েছিলেন। কেননা কিয়ামতের পর আর কারো মৃত্যু নেই। ইবলিশ চেয়েছিল কিয়ামতের পরেও বেঁচে থাকতে, কিন্তু তার সেই ইচ্ছা পূরণ হয়নি।
শিক্ষা ও উপকারিতা:
- শত্রুতা ও হিংসা মানুষকে কতদূর পর্যন্ত নিয়ে যেতে পারে—ইবলিশের উদাহরণে তা স্পষ্ট। তার সমস্ত প্রচেষ্টা ছিল আদম সন্তানদের ধ্বংস করা, যদিও আদম (আঃ) তার কোনো ক্ষতি করেনি।
- আল্লাহর রহমত থেকে বিতাড়িত হওয়ার পরও ইবলিশ হতাশ হয়নি; বরং সে আল্লাহর কাছে সময় চেয়েছে। এটি প্রমাণ করে যে, শয়তান কখনো বিরত থাকে না, বরং প্রতিটি মুহূর্তে মানুষকে গোমরাহ করার চেষ্টা করে।
- এই আয়াত থেকে আমরা শিখি যে, দুনিয়ার জীবন ক্ষণস্থায়ী এবং মৃত্যু অনিবার্য। এমনকি ইবলিশও মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করবে। তাই আমাদের উচিত দুনিয়ার মোহে বিভ্রান্ত না হয়ে আখিরাতের জন্য প্রস্তুতি নেওয়া।
- শয়তানের প্রধান লক্ষ্য是人类কে পথভ্রষ্ট করা। তাই আমাদের সর্বদা সতর্ক থাকতে হবে এবং আল্লাহর কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করতে হবে, যেন আমরা তার কুমন্ত্রণা থেকে রক্ষা পাই।
- আল্লাহর নির্ধারিত সময়ের বাইরে কেউ এক মুহূর্তও বাঁচতে পারে না। ইবলিশের মতো শক্তিশালী সৃষ্টিও আল্লাহর নির্ধারিত সীমা অতিক্রম করতে পারেনি। এটি আল্লাহর পূর্ণ ক্ষমতার প্রমাণ।
📜 আয়াত 12-16 — সূরা আল-আরাফ
অনুবাদ — আল-আরাফ 14
সূরা আল-আরাফ আয়াত 14 - পড়ুন, শুনুন, অনুবাদ, বাংলা : সে বললঃ আমাকে কেয়ামত দিবস পর্যন্ত অবকাশ দিন।সূরা আয়াত 14/206 — সূরা আল-আরাফ الأعراف (মাক্কী). পড়ুন শুনুন অনুবাদ (বাংলা). শুনুন: সূরা আল-আরাফ শুনুন, সূরা আল-আরাফ অনুবাদ, সূরা আল-আরাফ mp3, সূরা আল-আরাফ pdf. আয়াত 12–16. বাংলা অর্থ: हिन्दी.
সূরা আল-আরাফ
পবিত্র কুরআন
Tuesday, September 29, 2026
আপনার নেক দোয়ায় আমাদের ভুলে যাবেন না


