Mishary Rashid Alafasy
✓
Mahmoud Khalil Al-Husary
✓
Abdurrahman As-Sudais
✓
Mohamed Siddiq Al-Minshawi
✓
Abdul Basit Abdul Samad
✓
Ali Al-Hudhaify
✓
Ahmed ibn Ali al-Ajamy
✓
Abu Bakr Ash-Shaatree
✓
Muhammad Ayyoub
✓
Abdullah Basfar
✓
Abdullah Al-Juhani
✓
Maher Al Muaiqly
✓
অনুবাদ — Tafsir
কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ শব্দের অর্থ:
- رَأَوْهُمْ (রাআওহুম) – তাদেরকে দেখেছে (এখানে কাফিররা মুমিনদেরকে দেখেছে)
- ضَالُّونَ (দ্বাল্লুন) – পথভ্রষ্ট, বিভ্রান্ত, সঠিক পথ থেকে বিচ্যুত
আয়াতের তাফসির:
এই আয়াতে আল্লাহ তাআলা কাফির ও মুশরিকদের আরেকটি নিকৃষ্ট চরিত্র তুলে ধরেছেন। যখনই কাফিররা মুমিনদের দেখত, তখনই তারা অবজ্ঞা ও উপহাসের সুরে বলত: "নিশ্চয়ই এরা পথভ্রষ্ট!" অর্থাৎ তারা মুমিনদেরকে বিভ্রান্ত, ভুল পথে চলা এবং সঠিক পথ থেকে বিচ্যুত বলে আখ্যায়িত করত।
তাদের এই অভিযোগের কারণ কী ছিল? কারণ ছিল মুমিনরা আল্লাহর রাসূল মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উপর ঈমান এনেছিল এবং তাওহীদের পথকে গ্রহণ করেছিল। কাফিররা তাদের পূর্বপুরুষদের শিরকী ও ভ্রান্ত ধর্মকে সঠিক মনে করত, আর যে ব্যক্তি সেই ভ্রান্ত পথ ছেড়ে সত্যের পথে আসত, তারা তাকে পথভ্রষ্ট বলত। অথচ প্রকৃত সত্য হলো, তারাই ছিল পথভ্রষ্ট, আর মুমিনরাই ছিল হিদায়াতপ্রাপ্ত।
এখানে আল্লাহ তাআলা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় স্পষ্ট করেছেন—এই কাফিরদেরকে মুমিনদের উপর তত্ত্বাবধায়ক বা রক্ষক বানানো হয়নি। তারা মুমিনদের বিচারক নয়। তাদের দায়িত্বও নেই যে তারা নির্ধারণ করবে কে সঠিক পথে আছে আর কে ভ্রান্ত। এটা তো আল্লাহর কাজ। কিয়ামতের দিন প্রকৃত চিত্র উন্মোচিত হবে, তখন দেখা যাবে আসল পথভ্রষ্ট কারা ছিল।
হৃদয়গ্রাহী বার্তা:
প্রিয় মুসলিম ভাই ও বোনেরা! এই আয়াত থেকে আমরা একটি চিরন্তন শিক্ষা পাই—সত্যের পথে চলা ব্যক্তিদেরকে দুনিয়ায় প্রায়ই উপহাস ও অপমানের শিকার হতে হয়। কাফির, মুনাফিক বা ভ্রান্ত লোকেরা যখন দেখে যে কেউ ইসলামের সত্য পথে এসেছে, তখন তারা তাকে পথভ্রষ্ট বলে গালি দেয়। কিন্তু এতে মুমিনের কোনো ক্ষতি নেই; বরং এটা তো তার সঠিক পথে থাকারই প্রমাণ। কারণ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর যুগেও সত্যের অনুসারীদেরকে এমনই বলা হতো।
তাই হে মুমিন! তুমি যখন দেখবে যে, দুনিয়ার কিছু মানুষ তোমাকে ইসলামের কারণে পথভ্রষ্ট বলছে, অথবা তোমার দ্বীনদারিকে নিয়ে ঠাট্টা-বিদ্রুপ করছে, তখন হতাশ হয়ো না। মনে রেখো, এটাই তো নবী ও সাহাবীদের পথ। আর কিয়ামতের দিন আল্লাহ তাআলা এই উপহাসকারীদেরকেই লাঞ্ছিত করবেন এবং মুমিনদেরকে সম্মানিত করবেন। তখন মুমিনরা তাদের উপর হাসবে, যেমনটি তারা দুনিয়ায় মুমিনদের উপর হাসত। সুতরাং ধৈর্য ধরো, দৃঢ় থাকো এবং আল্লাহর উপর ভরসা রাখো। নিশ্চয়ই আল্লাহর সাহায্য আসবেই, এবং সত্যের পতাকাই সর্বদা উঁচু থাকবে।
📜 আয়াত 30-34 — সূরা আল-মুতাফফিফিন
অনুবাদ — আল-মুতাফফিফিন 32
সূরা আল-মুতাফফিফিন আয়াত 32 - পড়ুন, শুনুন, অনুবাদ, বাংলা : আর যখন তারা বিশ্বাসীদেরকে দেখত, তখন বলত, নিশ্চয় এরা বিভ্রান্ত।সূরা আয়াত 32/36 — সূরা আল-মুতাফফিফিন المطففين (মাক্কী). পড়ুন শুনুন অনুবাদ (বাংলা). শুনুন: সূরা আল-মুতাফফিফিন শুনুন, সূরা আল-মুতাফফিফিন অনুবাদ, সূরা আল-মুতাফফিফিন mp3, সূরা আল-মুতাফফিফিন pdf. আয়াত 30–34. বাংলা অর্থ: हिन्दी.
সূরা আল-মুতাফফিফিন
পবিত্র কুরআন
Monday, September 28, 2026
আপনার নেক দোয়ায় আমাদের ভুলে যাবেন না


