Hal yanzuroona illaaa ai yaatiyahumul laahu fee zulalim minal ghamaami walmalaaa`ikatu wa qudiyal amr; wa ilal laahi turja`ulumoor
📖 অনুবাদ (বাংলা অর্থ)
📖 বাংলা অর্থ
তারা কি সে দিকেই তাকিয়ে রয়েছে যে, মেঘের আড়ালে তাদের সামনে আসবেন আল্লাহ ও ফেরেশতাগণ ? আর তাতেই সব মীমাংসা হয়ে যাবে। বস্তুতঃ সবকার্যকলাপই আল্লাহর নিকট গিয়ে পৌঁছবে।
🌐 Additional reference in हिन्दी
🌐 हिन्दी
क्या वह लोग इसी के मुन्तज़िर हैं कि सफेद बादल के साय बानो की आड़ में अज़ाबे ख़ुदा और अज़ाब के फ़रिश्ते उन पर ही आ जाए और सब झगड़े चुक ही जाते हालॉकि आख़िर कुल उमुर ख़ुदा ही की तरफ रुजू किए जाएँगे
তারা কি সে দিকেই তাকিয়ে রয়েছে যে, মেঘের আড়ালে তাদের সামনে আসবেন আল্লাহ ও ফেরেশতাগণ ? আর তাতেই সব মীমাংসা হয়ে যাবে। বস্তুতঃ সবকার্যকলাপই আল্লাহর নিকট গিয়ে পৌঁছবে।
📜
অনুবাদ — Tafsir
শব্দার্থ:
ظُلَل (যুলাল): মেঘের ছায়া বা মেঘমালার আচ্ছাদন। এটি 'ظُلَّة'-এর বহুবচন, যার অর্থ এমন বস্তু যা ছায়া দেয়।
الْغَمَام (আল-গামাম): মেঘ বা মেঘমালা। একে 'গামাম' বলা হয় কারণ এটি সূর্যের আলোকে ঢেকে রাখে বা গোপন করে।
وَقُضِيَ الْأَمْرُ (ওয়া কুদিয়াল আমর): বিষয়টি চূড়ান্তভাবে ফয়সালা হয়ে যাবে, অর্থাৎ হিসাব-নিকাশ শেষ হয়ে যাবে।
তাফসির (ব্যাখ্যা):
এই আয়াতে আল্লাহ তাআলা সেই কাফির ও অবাধ্য সম্প্রদায়ের কথা উল্লেখ করেছেন, যারা স্পষ্ট প্রমাণ ও নিদর্শন দেখার পরও সত্য গ্রহণ করেনি এবং ইসলামের পথে প্রবেশ করেনি। তাদের সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হচ্ছে— তারা আর কী অপেক্ষা করছে? তারা কি শুধু এই অপেক্ষায় আছে যে, কিয়ামতের দিন আল্লাহ তাআলা নিজেই মেঘের ছায়ার মধ্যে তাদের সামনে উপস্থিত হবেন, তাঁর মহিমার সাথে সঙ্গতিপূর্ণ পদ্ধতিতে, এবং ফেরেশতারা তাদের চারপাশ ঘিরে ফেলবে? তখনই আল্লাহ তাদের মধ্যে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করবেন এবং চূড়ান্ত ফয়সালা করে দেবেন। সেদিন সকল সৃষ্টির সব বিষয় আল্লাহর দিকেই প্রত্যাবর্তিত হবে এবং তিনিই একমাত্র চূড়ান্ত বিচারক।
অর্থাৎ, এই কাফিররা যদি দুনিয়ায় আল্লাহর আয়াত ও নিদর্শন দেখেও বিশ্বাস না করে, তবে তাদের জন্য নির্ধারিত রয়েছে কিয়ামতের সেই ভয়াবহ মুহূর্ত, যখন আল্লাহ নিজেই বিচারের জন্য আবির্ভূত হবেন এবং ফেরেশতারা উপস্থিত হবে। তখন কোনো সুযোগ থাকবে না তাওবা করার বা ঈমান আনার। সবকিছু শেষ হয়ে যাবে এবং প্রত্যেকে তার কর্মফল পাবে।
শিক্ষা ও উপদেশ:
আল্লাহ তাআলা অত্যন্ত দয়ালু ও ক্ষমাশীল, কিন্তু তাঁর শাস্তিও অত্যন্ত কঠোর। তিনি মানুষকে দুনিয়ায় সুযোগ দেন সত্য গ্রহণ করার, কিন্তু যে ব্যক্তি সেই সুযোগ কাজে লাগায় না, তার জন্য কিয়ামতের দিন অপেক্ষা করছে চূড়ান্ত বিচার ও প্রতিদান।
কিয়ামতের দিন আল্লাহর সামনে সবাইকে দাঁড়াতে হবে এবং ফেরেশতারা উপস্থিত থাকবে। সেদিন কোনো অস্বীকার বা অজুহাত গ্রহণযোগ্য হবে না।
দুনিয়ার জীবনই হলো কর্ম করার স্থান, আর আখিরাত হলো ফলাফল পাওয়ার স্থান। যে ব্যক্তি দুনিয়ায় আল্লাহর নির্দেশ মেনে চলে, সে আখিরাতে সফলকাম হবে; আর যে অবাধ্যতা করে, সে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
আল্লাহর কাছে সব বিষয়ের প্রত্যাবর্তন। তাই আমাদের উচিত সর্বদা আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের চেষ্টা করা এবং তাঁর বিধান মেনে চলা, যাতে কিয়ামতের দিন আমরা শান্তি ও সাফল্য পেতে পারি।
তারা কি সে দিকেই তাকিয়ে রয়েছে যে, মেঘের আড়ালে তাদের সামনে আসবেন আল্লাহ ও ফেরেশতাগণ ? আর তাতেই সব মীমাংসা হয়ে যাবে। বস্তুতঃ সবকার্যকলাপই আল্লাহর নিকট গিয়ে পৌঁছবে।
বনী ইসরাঈলদিগকে জিজ্ঞেস কর, তাদেরকে আমি কত স্পষ্ট নির্দশনাবলী দান করেছি। আর আল্লাহর নেয়ামত পৌছে যাওয়ার পর যদি কেউ সে নেয়ামতকে পরিবর্তিত করে দেয়, তবে আল্লাহর আযাব অতি কঠিন।
পার্থিব জীবনের উপর কাফেরদিগকে উম্মত্ত করে দেয়া হয়েছে। আর তারা ঈমানদারদের প্রতি লক্ষ্য করে হাসাহাসি করে। পক্ষান্তরে যারা পরহেযগার তারা সেই কাফেরদের তুলনায় কেয়ামতের দিন অত্যন্ত উচ্চমর্যাদায় থাকবে। আর আল্লাহ যাকে ইচ্ছা সীমাহীন রুযী দান করেন।
সূরাকুরআন ওয়েবসাইট প্রতিষ্ঠিত হয়েছে পবিত্র কিতাব ও পবিত্র সুন্নাহর সেবা, আল্লাহর দিকে দাওয়াত এবং কুরআন-সুন্নাহর মানহাজে দ্বীনি ইলম সহজলভ্য করার একটি বিনম্র প্রচেষ্টা হিসেবে। আমরা আল্লাহর প্রশংসা করি ও তাঁর অনুগ্রহের জন্য কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করি, এবং তাঁর কাছে প্রার্থনা করি যেন তিনি আমাদের কাজ কবুল করেন এবং তা একমাত্র তাঁর সন্তুষ্টির জন্য নিষ্ঠাপূর্ণ করেন।