Qulid `ul lazeena za`amtum min doonil laahi laa yamlikoona misqaala zarratin fissamaawaati wa laa fil ardi wa maa lahum feehimaa min shirkinw wa maa lahoo minhum min zaheer
📖 অনুবাদ (বাংলা অর্থ)
📖 বাংলা অর্থ
বলুন, তোমরা তাদেরকে আহবান কর, যাদেরকে উপাস্য মনে করতে আল্লাহ ব্যতীত। তারা নভোমন্ডল ও ভূ-মন্ডলের অনু পরিমাণ কোন কিছুর মালিক নয়, এতে তাদের কোন অংশও নেই এবং তাদের কেউ আল্লাহর সহায়কও নয়।
🌐 Additional reference in हिन्दी
🌐 हिन्दी
(ऐ रसूल इनसे) कह दो कि जिन लोगों को तुम खुद ख़ुदा के सिवा (माबूद) समझते हो पुकारो (तो मालूम हो जाएगा कि) वह लोग ज़र्रा बराबर न आसमानों में कुछ इख़तेयार रखते हैं और न ज़मीन में और न उनकी उन दोनों में शिरकत है और न उनमें से कोई खुदा का (किसी चीज़ में) मद्दगार है
বলুন, তোমরা তাদেরকে আহবান কর, যাদেরকে উপাস্য মনে করতে আল্লাহ ব্যতীত। তারা নভোমন্ডল ও ভূ-মন্ডলের অনু পরিমাণ কোন কিছুর মালিক নয়, এতে তাদের কোন অংশও নেই এবং তাদের কেউ আল্লাহর সহায়কও নয়।
📜
অনুবাদ — Tafsir
শব্দার্থ:
مِثْقَالَ ذَرَّةٍ – একটি অনু পরিমাণ (সর্বনিম্ন ওজন)।
شِرْكٍ – অংশীদারিত্ব, শরিক হওয়া।
ظَهِيرٍ – সাহায্যকারী, সহায়।
তفسير:
হে নবী! আপনি মুশরিকদের বলুন, “তোমরা যাদেরকে আল্লাহর পরিবর্তে উপাস্য মনে করে ডাকো, তাদেরকে ডেকে দেখো।” তারা আসমান ও জমিনের কোনো কিছুর ওপর একটি অনু পরিমাণও মালিক নয়। তাদের কাছে আসমান-জমিনের কোনো বস্তুর ওপর কোনো অংশীদারিত্বও নেই। আর আল্লাহর সৃষ্টি ও পরিচালনায় তাদের কোনো সাহায্যকারীত্বও নেই। বরং আল্লাহই এককভাবে সবকিছুর স্রষ্টা, মালিক ও পরিচালক। তাই তিনি ছাড়া আর কারো ইবাদত করা উচিত নয়। এই মূর্তি, ফেরেশতা বা মানুষ – যাদেরকে তারা উপাস্য বানিয়েছে – তারা নিজেরাও অসহায়, তারা কারো উপকার বা অপকার করতে সক্ষম নয়।
ফায়দা:
এই আয়াত থেকে আমরা শিখি যে, আল্লাহ ছাড়া অন্য কাউকে ডাকা বা তাদের কাছে সাহায্য চাওয়া সম্পূর্ণ নিরর্থক, কারণ তারা কোনো কিছুর মালিক নয়।
আল্লাহর একত্ববাদ (তাওহিদ) প্রতিষ্ঠিত হয় – তিনি একাই ইবাদতের যোগ্য, তাঁর কোনো শরিক নেই।
মুমিনের বিশ্বাস দৃঢ় হয় যে, সবকিছু আল্লাহর হাতে, তাই যেকোনো প্রয়োজনে শুধু তাঁর কাছেই চাওয়া উচিত।
এই আয়াত মানুষকে শিরক থেকে বিরত থাকতে এবং খাঁটি একনিষ্ঠভাবে আল্লাহর ইবাদত করতে উৎসাহিত করে, যা ইসলামের মূল শিক্ষা।
তাদের উপর শয়তানের কোন ক্ষমতা ছিল না, তবে কে পরকালে বিশ্বাস করে এবং কে তাতে সন্দেহ করে, তা প্রকাশ করাই ছিল আমার উদ্দেশ্য। আপনার পালনকর্তা সব বিষয়ে তত্ত্বাবধায়ক।
বলুন, তোমরা তাদেরকে আহবান কর, যাদেরকে উপাস্য মনে করতে আল্লাহ ব্যতীত। তারা নভোমন্ডল ও ভূ-মন্ডলের অনু পরিমাণ কোন কিছুর মালিক নয়, এতে তাদের কোন অংশও নেই এবং তাদের কেউ আল্লাহর সহায়কও নয়।
যার জন্যে অনুমতি দেয়া হয়, তার জন্যে ব্যতীত আল্লাহর কাছে কারও সুপারিশ ফলপ্রসূ হবে না। যখন তাদের মন থেকে ভয়-ভীতি দূর হয়ে যাবে, তখন তারা পরস্পরে বলবে, তোমাদের পালনকর্তা কি বললেন? তারা বলবে, তিনি সত্য বলেছেন এবং তিনিই সবার উপরে মহান।
সূরাকুরআন ওয়েবসাইট প্রতিষ্ঠিত হয়েছে পবিত্র কিতাব ও পবিত্র সুন্নাহর সেবা, আল্লাহর দিকে দাওয়াত এবং কুরআন-সুন্নাহর মানহাজে দ্বীনি ইলম সহজলভ্য করার একটি বিনম্র প্রচেষ্টা হিসেবে। আমরা আল্লাহর প্রশংসা করি ও তাঁর অনুগ্রহের জন্য কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করি, এবং তাঁর কাছে প্রার্থনা করি যেন তিনি আমাদের কাজ কবুল করেন এবং তা একমাত্র তাঁর সন্তুষ্টির জন্য নিষ্ঠাপূর্ণ করেন।