আশ-শুআরা · 208/227
অনুবাদ উচ্চারণ — সূরা আশ-শুআরা
وَمَا أَهْلَكْنَا مِن قَرْيَةٍ إِلَّا لَهَا مُنذِرُونَ ۝٢٠٨
Wa maaa ahlaknaa min qaryatin illaa lahaa munziroon
📖 বাংলা অর্থ
আমি কোন জনপদ ধ্বংস করিনি; কিন্তু এমতাবস্থায় যে, তারা সতর্ককারী ছিল।

M Mishary Rashid Alafasy ✓
M Mahmoud Khalil Al-Husary ✓
A Abdurrahman As-Sudais ✓
M Mohamed Siddiq Al-Minshawi ✓
A Abdul Basit Abdul Samad ✓
A Ali Al-Hudhaify ✓
A Ahmed ibn Ali al-Ajamy ✓
A Abu Bakr Ash-Shaatree ✓
M Muhammad Ayyoub ✓
A Abdullah Basfar ✓
A Abdullah Al-Juhani ✓
M Maher Al Muaiqly ✓
0:00
0:00
📜

অনুবাদ — Tafsir

শব্দার্থ:

  • কুরইয়াহ (قَرْيَةٍ): জনপদ, নগরী বা জনবসতি। এখানে উদ্দেশ্য কোনো জাতি বা সম্প্রদায়।
  • মুনযিরূন (مُنذِرُونَ): সতর্ককারী, ভয় প্রদর্শনকারী। অর্থাৎ নবী-রাসূলগণ।

তাফসীর:

আল্লাহ তাআলা ঘোষণা করছেন যে, তিনি কখনো কোনো জনপদ বা জাতিকে তাদের প্রতি সতর্ককারী (নবী-রাসূল) প্রেরণ না করে ধ্বংস করেননি। প্রতিটি জাতির কাছে তাদের হিদায়াতের জন্য রাসূল এসেছেন, তাদেরকে সতর্ক করেছেন, জান্নাত-জাহান্নামের কথা মনে করিয়ে দিয়েছেন এবং সৎপথের দিশা দিয়েছেন। এরপরও যদি তারা সতর্কবার্তা অমান্য করে কুফরি ও পাপাচারে লিপ্ত থাকে, তবেই তাদের ওপর আযাব নাজিল হয়েছে। এটি আল্লাহর পূর্ণ ন্যায়বিচারের প্রমাণ—তিনি কাউকে সতর্ক না করে বা দাওয়াত পৌঁছানোর আগে কাউকে শাস্তি দেন না। প্রতিটি উম্মতের কাছে তাদের নিজ ভাষায় রাসূল এসেছেন, তাদের কাছে স্পষ্ট প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়েছে, যাতে কিয়ামতের দিন কারো কোনো অজুহাত না থাকে। এই আয়াত প্রমাণ করে যে, আল্লাহর রহমত ও ইনসাফের দাবি হলো—সতর্ক করার পরই শাস্তি, আর এটিই হয়েছে সর্বদা।

শিক্ষা ও উপদেশ:

  1. আল্লাহ অত্যন্ত দয়ালু ও ন্যায়পরায়ণ। তিনি কাউকে অকারণে বা সতর্ক না করে শাস্তি দেন না।
  2. প্রতিটি জাতির কাছে তাদের নিজ ভাষায় ও নিজ জাতির মধ্য থেকেই রাসূল বা দাওয়াতকারী পাঠানো হয়েছে—এটি আল্লাহর পূর্ণ ইনসাফের নিদর্শন।
  3. দুনিয়ার জীবনে সতর্কবার্তা পাওয়া একটি বিশাল নেয়ামত। যে ব্যক্তি কুরআন ও রাসূলের (সা.) দাওয়াত পেয়েছে, তার জন্য অজুহাতের কোনো সুযোগ নেই।
  4. আল্লাহর শাস্তি আসার আগেই আমাদের উচিত তাওবা করা এবং সৎপথে ফিরে আসা, কারণ সতর্কবার্তার পরই শাস্তি নেমে আসে।
  5. এই আয়াত আমাদেরকে দাওয়াতের গুরুত্ব শেখায়—অন্যকে সৎপথে ডাকা এবং সতর্ক করা একটি মহান দায়িত্ব, যা রাসূলগণের সুন্নত।


📜 আয়াত 206-210 — সূরা আশ-শুআরা

206ثُمَّ جَاءَهُم مَّا كَانُوا يُوعَدُونَ
অতঃপর যে বিষয়ে তাদেরকে ওয়াদা দেয়া হত, তা তাদের কাছে এসে পড়ে।
207مَا أَغْنَىٰ عَنْهُم مَّا كَانُوا يُمَتَّعُونَ
তখন তাদের ভোগ বিলাস তা তাদের কি কোন উপকারে আসবে?
208وَمَا أَهْلَكْنَا مِن قَرْيَةٍ إِلَّا لَهَا مُنذِرُونَ
আমি কোন জনপদ ধ্বংস করিনি; কিন্তু এমতাবস্থায় যে, তারা সতর্ককারী ছিল।
209ذِكْرَىٰ وَمَا كُنَّا ظَالِمِينَ
স্মরণ করানোর জন্যে, এবং আমার কাজ অন্যায়াচরণ নয়।
210وَمَا تَنَزَّلَتْ بِهِ الشَّيَاطِينُ
এই কোরআন শয়তানরা অবতীর্ণ করেনি।
আশ-শুআরাকুরআন সূচী
227আয়াত
মাক্কীঅবতরণস্থান
208আয়াত

অনুবাদ — আশ-শুআরা 208

সূরা আশ-শুআরা আয়াত 208 - পড়ুন, শুনুন, অনুবাদ, বাংলা : আমি কোন জনপদ ধ্বংস করিনি; কিন্তু এমতাবস্থায় যে, তারা সতর্ককারী…

সূরা আয়াত 208/227 — সূরা আশ-শুআরা الشعراء (মাক্কী). পড়ুন শুনুন অনুবাদ (বাংলা). শুনুন: সূরা আশ-শুআরা শুনুন, সূরা আশ-শুআরা অনুবাদ, সূরা আশ-শুআরা mp3, সূরা আশ-শুআরা pdf. আয়াত 206–210. বাংলা অর্থ: हिन्दी.





পবিত্র কুরআন


Monday, September 28, 2026

আপনার নেক দোয়ায় আমাদের ভুলে যাবেন না