Wa in khiftum allaa tuqsitoo fil yataamaa fankihoo maa taaba lakum minan nisaaa`i masnaa wa sulaasa wa rubaa`a fa`in khiftum allaa ta`diloo fawaahidatan aw maa malakat aimaanukum; zaalika adnaaa allaa ta`ooloo
📖 অনুবাদ (বাংলা অর্থ)
📖 বাংলা অর্থ
আর যদি তোমরা ভয় কর যে, এতীম মেয়েদের হক যথাথভাবে পুরণ করতে পারবে না, তবে সেসব মেয়েদের মধ্যে থেকে যাদের ভাল লাগে তাদের বিয়ে করে নাও দুই, তিন, কিংবা চারটি পর্যন্ত। আর যদি এরূপ আশঙ্কা কর যে, তাদের মধ্যে ন্যায় সঙ্গত আচরণ বজায় রাখতে পারবে না, তবে, একটিই অথবা তোমাদের অধিকারভুক্ত দাসীদেরকে; এতেই পক্ষপাতিত্বে জড়িত না হওয়ার অধিকতর সম্ভাবনা।
🌐 Additional reference in हिन्दी
🌐 हिन्दी
और अगर तुमको अन्देशा हो कि (निकाह करके) तुम यतीम लड़कियों (की रखरखाव) में इन्साफ न कर सकोगे तो और औरतों में अपनी मर्ज़ी के मवाफ़िक दो दो और तीन तीन और चार चार निकाह करो (फिर अगर तुम्हें इसका) अन्देशा हो कि (मुततइद) बीवियों में (भी) इन्साफ न कर सकोगे तो एक ही पर इक्तेफ़ा करो या जो (लोंडी) तुम्हारी ज़र ख़रीद हो (उसी पर क़नाअत करो) ये तदबीर बेइन्साफ़ी न करने की बहुत क़रीने क़यास है
আর যদি তোমরা ভয় কর যে, এতীম মেয়েদের হক যথাথভাবে পুরণ করতে পারবে না, তবে সেসব মেয়েদের মধ্যে থেকে যাদের ভাল লাগে তাদের বিয়ে করে নাও দুই, তিন, কিংবা চারটি পর্যন্ত। আর যদি এরূপ আশঙ্কা কর যে, তাদের মধ্যে ন্যায় সঙ্গত আচরণ বজায় রাখতে পারবে না, তবে, একটিই অথবা তোমাদের অধিকারভুক্ত দাসীদেরকে; এতেই পক্ষপাতিত্বে জড়িত না হওয়ার অধিকতর সম্ভাবনা।
📜
অনুবাদ — Tafsir
শব্দার্থ:
تُقْسِطُوا: ন্যায়বিচার করা, ইনসাফ করা।
مَثْنَى وَثُلَاثَ وَرُبَاعَ: দুই, তিন ও চার (বিবাহের ক্ষেত্রে)।
مَا مَلَكَتْ أَيْمَانُكُمْ: দাসীগণ, যারা তোমাদের মালিকানাধীন।
تَعُولُوا: অত্যাচার করা, সীমালঙ্ঘন করা, বা ভারী হয়ে পড়া।
তাফসীর:
হে মুমিনগণ! যদি তোমরা এ আশঙ্কা কর যে, এতিম মেয়েদের বিবাহ দিলে তাদের প্রাপ্য মোহর ও অন্যান্য অধিকার যথাযথভাবে আদায় করতে পারবে না এবং তাদের প্রতি ইনসাফ করতে পারবে না, তাহলে তাদের বিবাহ থেকে বিরত থাকো। বরং তোমাদের জন্য যেসব নারী হালাল ও পছন্দনীয়, তাদের মধ্যে থেকে দুই, তিন বা চারজন পর্যন্ত বিবাহ করতে পারো। তবে যদি তোমাদের আশঙ্কা হয় যে, একাধিক স্ত্রীর মধ্যে ন্যায়বিচার করতে পারবে না—যেমন খরচ, থাকা-খাওয়া, রাত যাপন ইত্যাদি বিষয়ে সমান আচরণ করতে পারবে না—তাহলে একটিমাত্র স্ত্রীই যথেষ্ট, অথবা তোমাদের মালিকানাধীন দাসীদেরকে গ্রহণ করো। কারণ দাসীদের ক্ষেত্রে মুক্ত নারীদের মতো এতগুলো বাধ্যবাধকতা নেই। আল্লাহ তোমাদের জন্য এই বিধান দিয়েছেন—এতিমদের ব্যাপারে সতর্কতা, সর্বোচ্চ চারটি বিবাহ, অথবা এক স্ত্রীতে সন্তুষ্ট থাকা, অথবা দাসী গ্রহণ করা—যাতে তোমরা জুলুম ও সীমালঙ্ঘন থেকে বাঁচতে পারো এবং ইনসাফের পথে প্রতিষ্ঠিত থাকতে পারো।
শিক্ষা ও উপকারিতা:
ইসলাম এতিমদের প্রতি ন্যায়বিচারের অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়েছে এবং তাদের সম্পদ ও অধিকার রক্ষার জন্য কঠোর নির্দেশ দিয়েছে।
বিবাহ একটি গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক বন্ধন, তবে তা অবশ্যই ন্যায়বিচার ও দায়িত্ববোধের ভিত্তিতে হতে হবে।
ইসলাম বহুবিবাহের অনুমতি দিয়েছে, কিন্তু শর্তসাপেক্ষে—যদি ন্যায়বিচার সম্ভব হয়; অন্যথায় এক স্ত্রীতেই সন্তুষ্ট থাকা উত্তম।
এই আয়াত প্রমাণ করে যে, ইসলাম এমন একটি পূর্ণাঙ্গ জীবনব্যবস্থা, যা মানুষের দুর্বলতা ও সামর্থ্যকে বিবেচনায় রেখে সহজ ও বাস্তবসম্মত বিধান দেয়।
দাসীদের প্রতি সদয় আচরণ এবং তাদের অধিকার রক্ষার নির্দেশও এখানে রয়েছে, যা ইসলামের মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রকাশ করে।
মুমিনের উচিত সর্বদা ইনসাফ ও ন্যায়পরায়ণতাকে জীবনের মূলনীতি বানানো, বিশেষত পারিবারিক ও সামাজিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে।
হে মানব সমাজ! তোমরা তোমাদের পালনকর্তাকে ভয় কর, যিনি তোমাদেরকে এক ব্যক্তি থেকে সৃষ্টি করেছেন এবং যিনি তার থেকে তার সঙ্গীনীকে সৃষ্টি করেছেন; আর বিস্তার করেছেন তাদের দু’জন থেকে অগণিত পুরুষ ও নারী। আর আল্লাহকে ভয় কর, যাঁর নামে তোমরা একে অপরের নিকট যাচঞ্ঝা করে থাক এবং আত্নীয় জ্ঞাতিদের ব্যাপারে সতর্কতা অবলম্বন কর। নিশ্চয় আল্লাহ তোমাদের ব্যাপারে সচেতন রয়েছেন।
এতীমদেরকে তাদের সম্পদ বুঝিয়ে দাও। খারাপ মালামালের সাথে ভালো মালামালের অদল-বদল করো না। আর তাদের ধন-সম্পদ নিজেদের ধন-সম্পদের সাথে সংমিশ্রিত করে তা গ্রাস করো না। নিশ্চয় এটা বড়ই মন্দ কাজ।
আর যদি তোমরা ভয় কর যে, এতীম মেয়েদের হক যথাথভাবে পুরণ করতে পারবে না, তবে সেসব মেয়েদের মধ্যে থেকে যাদের ভাল লাগে তাদের বিয়ে করে নাও দুই, তিন, কিংবা চারটি পর্যন্ত। আর যদি এরূপ আশঙ্কা কর যে, তাদের মধ্যে ন্যায় সঙ্গত আচরণ বজায় রাখতে পারবে না, তবে, একটিই অথবা তোমাদের অধিকারভুক্ত দাসীদেরকে; এতেই পক্ষপাতিত্বে জড়িত না হওয়ার অধিকতর সম্ভাবনা।
আর যে সম্পদকে আল্লাহ তোমাদের জীবন-যাত্রার অবলম্বন করেছেন, তা অর্বাচীনদের হাতে তুলে দিও না। বরং তা থেকে তাদেরকে খাওয়াও, পরাও এবং তাদেরকে সান্তনার বানী শোনাও।
সূরাকুরআন ওয়েবসাইট প্রতিষ্ঠিত হয়েছে পবিত্র কিতাব ও পবিত্র সুন্নাহর সেবা, আল্লাহর দিকে দাওয়াত এবং কুরআন-সুন্নাহর মানহাজে দ্বীনি ইলম সহজলভ্য করার একটি বিনম্র প্রচেষ্টা হিসেবে। আমরা আল্লাহর প্রশংসা করি ও তাঁর অনুগ্রহের জন্য কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করি, এবং তাঁর কাছে প্রার্থনা করি যেন তিনি আমাদের কাজ কবুল করেন এবং তা একমাত্র তাঁর সন্তুষ্টির জন্য নিষ্ঠাপূর্ণ করেন।