Qul hal min shurakaaa `ikum mai yabda`ul khalqa suma yu`eeduh; qulil laahu yabda`ul khalqa summa yu`eeduhoo fa annaa tu`fakoon
📖 অনুবাদ (বাংলা অর্থ)
📖 বাংলা অর্থ
বল, আছে কি কেউ তোমাদের শরীকদের মাঝে যে সৃষ্টি কে পয়দা করতে পারে এবং আবার জীবিত করতে পারে? বল, আল্লাহই প্রথমবার সৃষ্টি করেন এবং অতঃপর তার পুনরুদ্ভব করবেন। অতএব, কোথায় ঘুরপাক খাচ্ছে?
🌐 Additional reference in हिन्दी
🌐 हिन्दी
(ऐ रसूल) उनसे पूछो तो कि तुम ने जिन लोगों को (ख़ुदा का) शरीक बनाया है कोई भी ऐसा है जो मख़लूकात को पहली बार पैदा करे फिर उन को (मरने के बाद) दोबारा ज़िन्दा करे (तो क्या जवाब देगें) तुम्ही कहो कि ख़ुदा ही पहले भी पैदा करता है फिर वही दोबारा ज़िन्दा करता है तो किधर तुम उल्टे जा रहे हो
বল, আছে কি কেউ তোমাদের শরীকদের মাঝে যে সৃষ্টি কে পয়দা করতে পারে এবং আবার জীবিত করতে পারে? বল, আল্লাহই প্রথমবার সৃষ্টি করেন এবং অতঃপর তার পুনরুদ্ভব করবেন। অতএব, কোথায় ঘুরপাক খাচ্ছে?
📜
অনুবাদ — Tafsir
শব্দার্থ:
يَبْدَأُ الْخَلْقَ – সৃষ্টিকে প্রথমবার অস্তিত্বে আনা, কোনো পূর্ব নমুনা বা উদাহরণ ছাড়া সৃষ্টি করা।
يُعِيدُهُ – সৃষ্টিকে ধ্বংসের পর পুনরায় জীবিত করা ও পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে আনা।
تُؤْفَكُونَ – সত্য থেকে বিচ্যুত হয়ে মিথ্যার দিকে ফিরে যাওয়া; সত্য পথ থেকে সরিয়ে দেওয়া।
তাফসীর (ব্যাখ্যা):
হে নবী! আপনি এই মুশরিকদের জিজ্ঞেস করুন—তোমরা যাদেরকে আল্লাহর শরিক বানিয়ে ইবাদত কর, তাদের মধ্যে কি কেউ আছে যে প্রথমবার সৃষ্টিকে অস্তিত্বে আনে, অতঃপর তাকে ধ্বংস করে পুনরায় জীবিত করবে? তারা তো এর উত্তর দিতে পারবে না, কারণ তারা জানে যে, তাদের উপাস্যদের এসব ক্ষমতা নেই। অতএব, আপনি নিজেই বলে দিন—শুধুমাত্র আল্লাহই প্রথমবার সৃষ্টি করেন এবং তিনিই তাকে পুনরায় জীবিত করবেন। তিনি ব্যতীত কেউই সৃষ্টির সূচনা করতে পারে না, আর মৃত্যুর পর পুনরুত্থানও কেবল তারই হাতে। যদি এটি সত্য হয়, তবে তোমরা কীভাবে সত্য পথ থেকে বিচ্যুত হয়ে মিথ্যা উপাস্যদের দিকে ফিরে যাচ্ছ? তোমাদের বিবেক-বুদ্ধি থাকা সত্ত্বেও কেন তোমরা একমাত্র সত্য উপাস্যকে ছেড়ে অক্ষম ও শক্তিহীন মূর্তিগুলোর পূজা করছ?
শিক্ষা ও উপকারিতা:
আল্লাহ তাআলার একত্ব ও তাঁর পরিপূর্ণ ক্ষমতার প্রমাণ—তিনিই প্রথম সৃষ্টিকর্তা এবং তিনিই পুনরুত্থানকারী। এই সত্য উপলব্ধি করলে মানুষের অন্তরে আল্লাহর প্রতি গভীর ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা জন্মে।
কিয়ামত ও পুনরুত্থানে বিশ্বাস মানুষের জীবনকে অর্থবহ করে তোলে; মানুষ জানে যে, তার প্রতিটি কাজের হিসাব দিতে হবে, ফলে সে নেক কাজে আগ্রহী হয় এবং গুনাহ থেকে দূরে থাকে।
বুদ্ধি-বিবেকের দাবি হলো, যে সৃষ্টি করতে পারে না, তাকে উপাস্য বানানো সম্পূর্ণ অযৌক্তিক। এই উপলব্ধি মানুষকে শিরক থেকে মুক্ত করে তাওহীদের পথে পরিচালিত করে।
ইসলামের দাওয়াতের পদ্ধতি শিক্ষণীয়—প্রশ্নের মাধ্যমে প্রতিপক্ষকে চিন্তায় ফেলা, অতঃপর সত্যকে স্পষ্টভাবে উপস্থাপন করা এবং তাদের ভুল পথ সম্পর্কে সতর্ক করা।
আল্লাহর ক্ষমার দরজা সর্বদা খোলা—যে ব্যক্তি শিরক থেকে তওবা করে আল্লাহর দিকে ফিরে আসে, আল্লাহ তাকে ক্ষমা করেন এবং তাকে সঠিক পথ দেখান।
বল, আছে কি কেউ তোমাদের শরীকদের মাঝে যে সৃষ্টি কে পয়দা করতে পারে এবং আবার জীবিত করতে পারে? বল, আল্লাহই প্রথমবার সৃষ্টি করেন এবং অতঃপর তার পুনরুদ্ভব করবেন। অতএব, কোথায় ঘুরপাক খাচ্ছে?
জিজ্ঞেস কর, আছে কি কেউ তোমাদের শরীকদের মধ্যে যে সত্য-সঠিক পথ প্রদর্শন করবে? বল, আল্লাহই সত্য-সঠিক পথ প্রদর্শন করেন, সুতরাং এমন যে লোক সঠিক পথ দেখাবে তার কথা মান্য করা কিংবা যে লোক নিজে নিজে পথ খুঁজে পায় না, তাকে পথ দেখানো কর্তব্য। অতএব, তোমাদের কি হল, কেমন তোমাদের বিচার?
সূরাকুরআন ওয়েবসাইট প্রতিষ্ঠিত হয়েছে পবিত্র কিতাব ও পবিত্র সুন্নাহর সেবা, আল্লাহর দিকে দাওয়াত এবং কুরআন-সুন্নাহর মানহাজে দ্বীনি ইলম সহজলভ্য করার একটি বিনম্র প্রচেষ্টা হিসেবে। আমরা আল্লাহর প্রশংসা করি ও তাঁর অনুগ্রহের জন্য কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করি, এবং তাঁর কাছে প্রার্থনা করি যেন তিনি আমাদের কাজ কবুল করেন এবং তা একমাত্র তাঁর সন্তুষ্টির জন্য নিষ্ঠাপূর্ণ করেন।