Wa oohiya ilaa Noohin annahoo lany-yu`mina min qawmika illaa man qad aamana falaa tabta`is bimaa kaanoo yaf`aloon
📖 অনুবাদ (বাংলা অর্থ)
📖 বাংলা অর্থ
আর নূহ (আঃ) এর প্রতি ওহী প্রেরণ করা হলো যে, যারা ইতিমধ্যেই ঈমান এনেছে তাদের ছাড়া আপনার জাতির অন্য কেউ ঈমান আনবেনা এতএব তাদের কার্যকলাপে বিমর্ষ হবেন না।
🌐 Additional reference in हिन्दी
🌐 हिन्दी
और नूह के पास ये 'वही' भेज दी गई कि जो ईमान ला चुका उनके सिवा अब कोई शख़्श तुम्हारी क़ौम से हरगिज़ ईमान न लाएगा तो तुम ख्वाहमा ख्वाह उनकी कारस्तानियों का (कुछ) ग़म न खाओ
فَلَا تَبْتَئِسْ — তুমি দুঃখ করো না, ব্যথিত হয়ো না।
بِمَا كَانُوا يَفْعَلُونَ — তারা যা কিছু করত (অস্বীকার, উপহাস, অন্যায়) তার কারণে।
তাফসীর:
আল্লাহ তা‘আলা তাঁর নবী নূহ (আঃ)-এর কাছে ওহী প্রেরণ করলেন যখন তাঁর সম্প্রদায়ের উপর আযাব অবধারিত হয়ে গেল। ওহীর মাধ্যমে তাঁকে জানানো হলো যে, আপনার সম্প্রদায়ের মধ্যে যারা ইতিপূর্বে ঈমান এনেছে, তারা ছাড়া আর কেউ ঈমান আনবে না। অর্থাৎ, এখন থেকে তাদের ঈমান আনার কোনো আশা নেই; তারা কুফরি ও অস্বীকারের উপরই অটল থাকবে। সুতরাং হে নূহ! আপনি তাদের সেই আচরণের কারণে দুঃখিত হবেন না, যারা দীর্ঘ সময় ধরে আপনার প্রতি মিথ্যারোপ করেছে, আপনার সাথে ঠাট্টা-বিদ্রূপ করেছে এবং সত্য গ্রহণ করতে অস্বীকার করেছে। কারণ, আমি তাদেরকে ধ্বংস করবই। এই ওহী পাওয়ার পর নূহ (আঃ) তাদের বিরুদ্ধে বদদু‘আ করেন এবং বলেন: “হে আমার রব! পৃথিবীতে কাফিরদের মধ্যে থেকে কাউকে জীবিত রাখবেন না।” (সূরা নূহ: ২৬)
শিক্ষা ও উপকারিতা:
নবী-রাসূলগণও মানুষের হিদায়াতের জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করেছেন, কিন্তু হিদায়াত সম্পূর্ণরূপে আল্লাহর হাতে। যখন আল্লাহ কারো হিদায়াত চান না, তখন কেউ তাকে হিদায়াত দিতে পারে না।
দীর্ঘ সময় ধরে সত্য প্রচারের পরও যদি মানুষ না মানে, তবে নিরাশ হওয়া উচিত নয়; বরং আল্লাহর সিদ্ধান্তের উপর সন্তুষ্ট থাকা এবং ধৈর্য ধারণ করা কর্তব্য।
আল্লাহ তাঁর নবীদেরকে প্রয়োজনীয় সময়ে সান্ত্বনা ও নির্দেশনা দিয়ে থাকেন, যাতে তারা দায়িত্ব পালনে অবিচল থাকেন।
এই আয়াত থেকে আমরা শিখি যে, কোনো কাজে সফলতা না এলে বা মানুষ না শুনলে আমাদের কর্তব্য হলো আল্লাহর উপর ভরসা রাখা এবং নিজের দায়িত্ব আন্তরিকতার সাথে পালন করা।
কুফরি ও অন্যায়ের পরিণাম অনিবার্য — আল্লাহ যাদেরকে সতর্ক করেছেন, তাদের উপর আযাব অবশ্যই নেমে আসে।
আর নূহ (আঃ) এর প্রতি ওহী প্রেরণ করা হলো যে, যারা ইতিমধ্যেই ঈমান এনেছে তাদের ছাড়া আপনার জাতির অন্য কেউ ঈমান আনবেনা এতএব তাদের কার্যকলাপে বিমর্ষ হবেন না।
আর আমি তোমাদের নসীহত করতে চাইলেও তা তোমাদের জন্য ফলপ্রসূ হবে না, যদি আল্লাহ তোমাদেরকে গোমরাহ করতে চান; তিনিই তোমাদের পালনকর্তা এবং তাঁর কাছেই তোমাদের ফিরে যেতে হবে।
তারা কি বলে? আপনি কোরআন রচনা করে এনেছেন? আপনি বলে দিন আমি যদি রচনা করে এনে থাকি, তবে সে অপরাধ আমার, আর তোমরা যেসব অপরাধ কর তার সাথে আমার কোন সম্পর্ক নেই।
আর নূহ (আঃ) এর প্রতি ওহী প্রেরণ করা হলো যে, যারা ইতিমধ্যেই ঈমান এনেছে তাদের ছাড়া আপনার জাতির অন্য কেউ ঈমান আনবেনা এতএব তাদের কার্যকলাপে বিমর্ষ হবেন না।
তিনি নৌকা তৈরী করতে লাগলেন, আর তাঁর কওমের নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিরা যখন পার্শ্ব দিয়ে যেত, তখন তাঁকে বিদ্রুপ করত। তিনি বললেন, তোমরা যদি আমাদের উপহাস করে থাক, তবে তোমরা যেমন উপহাস করছ আমরাও তদ্রুপ তোমাদের উপহাস করছি।
সূরাকুরআন ওয়েবসাইট প্রতিষ্ঠিত হয়েছে পবিত্র কিতাব ও পবিত্র সুন্নাহর সেবা, আল্লাহর দিকে দাওয়াত এবং কুরআন-সুন্নাহর মানহাজে দ্বীনি ইলম সহজলভ্য করার একটি বিনম্র প্রচেষ্টা হিসেবে। আমরা আল্লাহর প্রশংসা করি ও তাঁর অনুগ্রহের জন্য কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করি, এবং তাঁর কাছে প্রার্থনা করি যেন তিনি আমাদের কাজ কবুল করেন এবং তা একমাত্র তাঁর সন্তুষ্টির জন্য নিষ্ঠাপূর্ণ করেন।