Watlu `alaihim naba abnai Aadama bilhaqq; iz qarrabaa qurbaanan fatuqubbila min ahadihimaa wa lam yutaqabbal minal aakhari qaala la aqtulannnaka qaala innamaa yataqabbalul laahu minal muttaqeen
📖 অনুবাদ (বাংলা অর্থ)
📖 বাংলা অর্থ
আপনি তাদেরকে আদমের দুই পুত্রের বাস্তব অবস্থা পাঠ করে শুনান। যখন তারা ভয়েই কিছু উৎসর্গ নিবেদন করেছিল, তখন তাদের একজনের উৎসর্গ গৃহীত হয়েছিল এবং অপরজনের গৃহীত হয়নি। সে বললঃ আমি অবশ্যই তোমাকে হত্যা করব। সে বললঃ আল্লাহ ধর্মভীরুদের পক্ষ থেকেই তো গ্রহণ করেন।
🌐 Additional reference in हिन्दी
🌐 हिन्दी
(ऐ रसूल) तुम इन लोगों से आदम के दो बेटों (हाबील, क़ाबील) का सच्चा क़स्द बयान कर दो कि जब उन दोनों ने ख़ुदा की दरगाह में नियाज़ें चढ़ाई तो (उनमें से) एक (हाबील) की (नज़र तो) क़ुबूल हुई और दूसरे (क़ाबील) की नज़र न क़ुबूल हुई तो (मारे हसद के) हाबील से कहने लगा मैं तो तुझे ज़रूर मार डालूंगा उसने जवाब दिया कि (भाई इसमें अपना क्या बस है) ख़ुदा तो सिर्फ परहेज़गारों की नज़र कुबूल करता है
আপনি তাদেরকে আদমের দুই পুত্রের বাস্তব অবস্থা পাঠ করে শুনান। যখন তারা ভয়েই কিছু উৎসর্গ নিবেদন করেছিল, তখন তাদের একজনের উৎসর্গ গৃহীত হয়েছিল এবং অপরজনের গৃহীত হয়নি। সে বললঃ আমি অবশ্যই তোমাকে হত্যা করব। সে বললঃ আল্লাহ ধর্মভীরুদের পক্ষ থেকেই তো গ্রহণ করেন।
📜
অনুবাদ — Tafsir
### معاني الكلمات:
নাবা (নবأ): সংবাদ, ঘটনা।
কুরবান (قربان): এমন বস্তু যা আল্লাহর নৈকট্য লাভের জন্য উৎসর্গ করা হয়।
তুকুব্বিলা (تُقُبِّلَ): কবুল করা হয়েছিল।
মুত্তাকী (المتقين): যারা আল্লাহভীরু, তাঁর আদেশ পালনকারী ও নিষেধ থেকে বিরত থাকেন।
### تفسير الآية:
হে নবী! আপনি বনি ইসরাঈলকে আদম (আঃ)-এর দুই পুত্রের সত্য ঘটনা শুনিয়ে দিন। ঘটনাটি হলো—তারা দুজন আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের জন্য প্রত্যেকে একটি করে কুরবানি পেশ করেছিল। তাদের একজন ছিল হাবিল এবং অন্যজন কাবিল। আল্লাহ তাআলা হাবিলের কুরবানি কবুল করেছিলেন, কারণ সে ছিল প্রকৃত মুত্তাকী ও আন্তরিক। কিন্তু কাবিলের কুরবানি কবুল হয়নি, কারণ তার অন্তর ছিল অশুদ্ধ এবং সে আল্লাহভীরু ছিল না। এতে কাবিল হিংসায় জ্বলে উঠে তার ভাইকে হত্যার হুমকি দিয়ে বলল, “আমি তোমাকে হত্যা করবই।” উত্তরে হাবিল তাকে শান্তভাবে বলল, “আল্লাহ তো কেবল সেই ব্যক্তির কুরবানি কবুল করেন, যে তাঁর ভয় করে এবং তাঁর আদেশ-নিষেধ মেনে চলে। তুমি যদি এই পথ অনুসরণ না কর, তবে তোমার কুরবানি কবুল হওয়ার প্রশ্নই ওঠে না।”
এই ঘটনাটি বর্ণনা করার মাধ্যমে আল্লাহ তাআলা নবী (সা.)-কে নির্দেশ দিচ্ছেন যে, তিনি যেন তার সম্প্রদায়ের সামনে পূর্ববর্তী জাতির এই শিক্ষণীয় ঘটনা তুলে ধরেন, যাতে তারা হিংসা ও বিদ্বেষের পরিণতি সম্পর্কে সতর্ক হয় এবং সত্যকে মেনে নেয়।
### استنباط الفوائد:
হিংসা ও বিদ্বেষের পরিণতি: এই আয়াত থেকে আমরা শিখি যে, হিংসা মানুষকে কত বড় অপরাধে লিপ্ত করতে পারে। কাবিলের হিংসা তাকে ভ্রাতৃহত্যার মতো জঘন্য পাপে নিমজ্জিত করেছিল। তাই মুমিনের উচিত হিংসা থেকে দূরে থাকা এবং আল্লাহর বণ্টনে সন্তুষ্ট থাকা।
আমলের কবুল হওয়ার শর্ত: কোনো আমল আল্লাহর কাছে কবুল হওয়ার জন্য শুধু বাহ্যিক রূপ-রীতি যথেষ্ট নয়, বরং প্রয়োজন তাকওয়া বা আল্লাহভীতি। অন্তর যদি খাঁটি না হয়, তবে বাহ্যিক ইবাদত আল্লাহর দরবারে গ্রহণযোগ্য হয় না।
সত্য কথা বলার সাহস: হাবিল তার ভাইয়ের হুমকির মুখেও সত্য কথা বলতে দ্বিধা করেননি। তিনি স্পষ্টভাবে বলেছিলেন যে, আল্লাহ কেবল মুত্তাকীদের আমল কবুল করেন। এটি আমাদের শেখায় যে, সত্য কথা বলা এবং দ্বীনের সঠিক ব্যাখ্যা দেওয়া প্রতিটি মুমিনের দায়িত্ব, এমনকি বিপদের সময়েও।
ধৈর্য ও নম্রতা: হাবিল তার ভাইয়ের রূঢ় আচরণের জবাবে ধৈর্য ধারণ করেছিলেন এবং উত্তম পদ্ধতিতে উত্তর দিয়েছিলেন। এটি মুমিনের চরিত্রের একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত—অন্যায়ের জবাবেও ন্যায় ও শান্তি বজায় রাখা।
আল্লাহর বিধান মেনে চলার গুরুত্ব: কুরবানির ঘটনা আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে, আল্লাহর কাছে প্রকৃত ইবাদত হলো তাঁর আদেশ পালন এবং নিষেধ থেকে বিরত থাকা। যারা এই পথে চলে, তাদের আমল আল্লাহ কবুল করেন এবং তাদের মর্যাদা বৃদ্ধি করেন।
মূসা বললঃ হে আমার পালনকর্তা, আমি শুধু নিজের উপর ও নিজের ভাইয়ের উপর ক্ষমতা রাখি। অতএব, আপনি আমাদের মধ্যে ও এ অবাধ্য সম্প্রদায়ের মধ্যে সম্পর্কচ্ছেদ করুন।
আপনি তাদেরকে আদমের দুই পুত্রের বাস্তব অবস্থা পাঠ করে শুনান। যখন তারা ভয়েই কিছু উৎসর্গ নিবেদন করেছিল, তখন তাদের একজনের উৎসর্গ গৃহীত হয়েছিল এবং অপরজনের গৃহীত হয়নি। সে বললঃ আমি অবশ্যই তোমাকে হত্যা করব। সে বললঃ আল্লাহ ধর্মভীরুদের পক্ষ থেকেই তো গ্রহণ করেন।
যদি তুমি আমাকে হত্যা করতে আমার দিকে হস্ত প্রসারিত কর, তবে আমি তোমাকে হত্যা করতে তোমার দিকে হস্ত প্রসারিত করব না। কেননা, আমি বিশ্বজগতের পালনকর্তা আল্লাহকে ভয় করি।
সূরাকুরআন ওয়েবসাইট প্রতিষ্ঠিত হয়েছে পবিত্র কিতাব ও পবিত্র সুন্নাহর সেবা, আল্লাহর দিকে দাওয়াত এবং কুরআন-সুন্নাহর মানহাজে দ্বীনি ইলম সহজলভ্য করার একটি বিনম্র প্রচেষ্টা হিসেবে। আমরা আল্লাহর প্রশংসা করি ও তাঁর অনুগ্রহের জন্য কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করি, এবং তাঁর কাছে প্রার্থনা করি যেন তিনি আমাদের কাজ কবুল করেন এবং তা একমাত্র তাঁর সন্তুষ্টির জন্য নিষ্ঠাপূর্ণ করেন।